মো. জোবায়ের হোসেন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে এক সেনা সদস্যের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। বিগত ৩ দিন ধরে ওই নারী সেনা সদস্যের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। এনিয়ে তিনি মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের সাটিয়াচড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে সেনাবাহিনীর সদস্য আসাদুজ্জামানের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটছে। আসাদুজ্জামান বর্তমানে কুয়েতে মিশনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীর নাম আয়শা সিদ্দিকা (২৮)। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার মোকন্দগাদী গ্রামের এমদাদুল হকের স্ত্রী। এমদাদুল কর্মের সুবাদে বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন।
বৃহস্পতিবার ( ১৯শে আগস্ট) আয়শা সিদ্দিকা দাবি করেন, ১১ বছর আগে পারিবাকিভাবে এমদাদুলের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের একবছর পর তার স্বামী প্রবাসে চলে যান। বিয়ের ৫ বছর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার সাথে পরিচয় হয় আসাদুজ্জামানের। সেই পরিচয় একসময় প্রেমে রুপ নেয়। নিজেকে বিবাহিত জানালে আসাদুজ্জামান তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রæতি দেয়। সম্পর্ক শুরুর ২ বছর পর আসাদুজ্জামান তার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করেন এবং বিভিন্নস্থানে তারা একাধিকবার শারিরিক সম্পর্ক করেন। শারিরিক সম্পর্ক থেকে জন্ম হয় আরাফ নামের এক ছেলে সন্তানের। যার বয়স এখন ২৩ মাস। তবে ২০১৮ সালে স্বামী এমদাদুল দেশে আসায় ছেলের পিতৃত্ব নিয়ে কোন সমস্যা হয়নি। সবাই জানে আরাফ এমদাদুলেরই সন্তান। এখন তার শশুরবাড়ীর লোকজন বিষয়টি জেনে যাওয়ায় তিনি শশুরবাড়ী থেকে বিতারিত হয়েছেন। বিতারিত হয়েছেন বাবার বাড়ি থেকেও। সেনাসদস্য আসাদুজ্জামানের সাথে বিয়ের কোন প্রমাণ দিতে না পারলেও তার সাথে কাটানো বেশকিছু স্থিরচিত্র সরবরাহ করেন এই প্রতিনিধির কাছে।
আসাদুজ্জামান দেশের বাইরে মিশনে থাকায় তার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি তবে তার মা রহিমা বেগম বলেন, তার ছেলে দুই বছর যাবৎ আগে কুয়েতে মিশনে আছেন। তাদের পরিবারের কেউ এই সম্পর্ক বিষয়ে অবগত নয়। ছেলেও এটি স্বীকার করেনি।
মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ লিটন চন্দ্র সাহা বলেন, পেট ব্যাথা নিয়ে বুধবার রাতে আয়শা সিদ্দিকা তার ওখানে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিক আছেন।
মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। ওই নারীর সাথে অভিযুক্ত সেনা সদস্য আসাদের সাথে একাধিক অন্তরঙ্গ ছবি পাওয়া গেছে। তবে, ওই নারী তাদের বৈবাহিকতার কোন প্রমাণ দিতে পারেননি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.