মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতি বার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় সাঁতার (বালক ও বালিকা), কাবাডি (বালক ও বালিকা), দাবা (বালক ও বালিকা) এবং হ্যান্ডবল (বালক ও বালিকা)সহ বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। দাবা বালিকা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন মির্জাপুর সরকারি এস কে পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা। দ্বিতীয় হন মির্জাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইশা হাসান তুড়া। দাবা বালিকা মধ্যম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন ভারতেশ্বরী হোমসের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া উলফাত সিনহা এবং দ্বিতীয় হন দেওহাটা আলহাজ্ব জুনাবআলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার। হ্যান্ডবল বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গেরামারা গোহাইলবাড়ী সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে ওয়ার্শী-পাইকপাড়া এম. ইয়াসিন অ্যান্ড ইউনুস খান উচ্চ বিদ্যালয়। কাবাডি বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মৈশামুড়া বসন্তকুমারী উচ্চ বিদ্যালয় এবং রানার্সআপ হয়েছে ওয়ার্শী-পাইকপাড়া এম. ইয়াসিন অ্যান্ড ইউনুস খান উচ্চ বিদ্যালয়। হ্যান্ডবল বালিকা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে দেওহাটা আলহাজ্ব জুনাবআলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জুলফিকার হায়দার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রবীর কুমার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন, উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মওলানা ফজলুল হক সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গণ্যমান্য ব্যক্তি, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে বিদ্যালয় ও উপজেলার সুনাম অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।