শাহ্ সৈকত মুন্না
মির্জাপুরে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ছোটবড় লক্ষাধিক গবাদিপশু পালন করা হয়েছে। কিন্তু মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে পশুর হাট বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন খামারীরা। আসন্ন ঈদে পশুগুলো বিক্রি করতে পারবেন কি না এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
খামারীদের দাবি, এবার করোনার কারণে মির্জাপুরের দেওহাটায় পশুরহাট বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় তাদের পালিত গবাদিপশু হাটে তুলতে পারছেন না। ঈদে পশুগুলো বিক্রি করতে না পারলে ব্যয় বাড়তেই থাকবে। এতে চরম লোকসানের মুখে পড়বেন তারা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবারের কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে উপজেলায় গবাদিপশু লালন পালন করেছেন। বিক্রির তালিকায় রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গাভী, বকনা, মহিষ, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য প্রাণি। এছাড়া কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে তালিকার বাইরেও ছোটছোট খামার ও বাড়িতে গবাদিপশু পালন করা হয়েছে।
জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে পালিত এসব গবাদিপশু থেকে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করে থাকেন খামারীরা। লাভজনক হওয়ায় অনেক বেকার যুবকরা আত্মনিয়োগ করেছেন এ পেশায়। সফলতাও পেয়েছেন অনেকে। কিন্তু করোনার কারণে হাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তায় ফেলেছে তাদের। উপজেলার দেওহাটা সর্ব বৃহৎ পশুরহাট। এছাড়া কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন হাটে অস্থায়ী পশুরহাট বসানো হয়। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে আপাতত এসব হাট বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মির্জাপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের মোট সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আর এ কারনে আপাতত পশুর হাট বন্ধ করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করে স্বাস্থবিধি মানে হাটে আসবে ক্রেতা এবং বিক্রেতা এই শর্তে পশুর হাটের অনুমতি দেয়ার কথা ভাবছি।
Leave a Reply