1. info@mirzapurpratidin.com : admin :
  2. news@mirzapurpratidin.com : mirzapur mirzapur : mirzapur mirzapur
মির্জাপুরে ইট তৈরিতে পুড়ছে ফসলি জমির মাটি! - Mirzapurpratidin.com
শিরোনামঃ
মির্জাপুর পৌরসভার উদ্যোগে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মির্জাপুরে মেয়র পদপ্রার্থী ডা. উজ্জ্বলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও বন্ধুদের ঈদ উপহার প্রদান মির্জাপুরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া মির্জাপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা মির্জাপুরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে মহান শহিদ দিবস পালিত মির্জাপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে সীসা কারখানা বন্ধ, তিন দোকানে জরিমানা মির্জাপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জরিমানা আদায় মির্জাপুরে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার; পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ মির্জাপুরে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিজয়ী

মির্জাপুরে ইট তৈরিতে পুড়ছে ফসলি জমির মাটি!

  • আপডেট টাইম : Sunday, January 10, 2021
  • 612 বার
IMG 20210110 154008

মোঃ সাজজাত হোসেন

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মির্জাপুর উপজেলায় ২৯টি অবৈধ ইট ভাটা গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শতশত বিঘা ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে এবং ভাটার আগুনে পুড়ছে উর্বর মাটি। এতে আবাদি জমি কমার পাশাপাশি ধ্বংস হচ্ছে জীব-বৈচিত্র্য, পরিবেশ এবং হুমকিতে পড়ছে জনস্বাস্থ্য।
উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধেরুয়া, রানাসাল, গোড়াই, হাটুভাঙ্গা এলাকায় ২৯ টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জনবসতি ও রেললাইন এবং হাইওয়ে রাস্তা থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরে ইটভাটা তৈরি করার কথা এবং সেটা হতে হবে অবশ্যই ফসলি জমি বাদে পতিত জমিতে। কিন্তু অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা প্রায় সবগুলো ভাটাই ফসলি জমিতে গড়ে তুলেছেন। এতে উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে ফসলি জমি কমে যাওয়ায় বাড়ছে উৎপাদন ঘাটতি ও পরিবেশ দূষণ।

এখানকার প্রতিটি ইট ভাটায় গড়ে ৩০ থেকে ৪০ লাখ ইট তৈরি করতে প্রায় আট কোটি ঘুনফুট মাটি ও বালু ব্যবহার করা হয়। আর ওই মাটির সিংহভাগই ফসলি জমির উপরিভাগ থেকে কেটে নেওয়া হয়। তাই সচেতন মহলের দাবি, ফসলি জমিতে ইট ভাটা তৈরি বন্ধ বা অভিযুক্তদের আইনের আওতায় না এনে এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে উপজেলার কোনও জমিতে ফসল উৎপাদন তো দূরের কথা এ অঞ্চল বিরান ভূমিতে পরিণত হবে।
এলাকাবাসী ও কৃষকদের অভিযোগ, উৎকোচ ও রাজনৈতিক প্রভাবে লাইসেন্স নিয়ে ইটভাটা গড়ে হাজার হাজার মানুষের ক্ষতি করা হচ্ছে বলে তারা জানান।

উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. কাদের সিকদার জমির উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির কথা অস্বীকার করে বলেন, পাহাড়ি মাটি ও বালি দিয়ে ইট তৈরি করা হয়।

কৃষিতে ইটভাটার প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে ইটভাটা তৈরি করায় কৃষিতে এর ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কারণ ভাটা তৈরির ফলে ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। আবার এর আশপাশের জমিগুলোতেও ফসল উৎপাদন কম হচ্ছে। অন্যদিকে জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি কেটে ইট তৈরি করাসহ অধিক কার্বন নিরসনের ফলে ফলজ গাছে ফলন কম হচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলার পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, আবাসিক, বাণিজ্যিক, সরকারি মালিকানাধীন ও ব্যক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমিতে কোনওভাবেই ইটভাটা নির্মাণ করতে পারবে না। স্থানীয় সরকার নির্মিত রাস্তা থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার, রেলপথ ও হাসপাতাল থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরে ইটভাটা তৈরি করতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই পরিবেশ অধিদফতর ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়। এরপরেও কেউ যদি আইন অমান্য করে, তাহলে সঠিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া মির্জাপুরে ২৯ টি ইটভাটা রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান শুরু করেছি পর্যায়ক্রমে সকল ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরদিকে বুধবার মির্জাপুরে ভাই ভাই ব্রিকস মো.শহিদুর রহমানকে ৬ লাখ, শাহ্আলম ব্রিকস-৬ লাখ, এসবিএম ব্রিকস-৬ লাখ, হাকিম ব্রিকস ৬ লাখ, এসটিবি ব্রিকস মালিককে ৬ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ইট ভাটার মালিকরা অভিযান শেষ হওয়ার পরপর পুনরায় ইট তৈরি শুরু করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Mirzapurpratidin এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ভিডিও বা ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Site Customized By NewsTech.Com