স্টাফ রিপোর্টারঃ
কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে পরনির্ভরশীলতা, চাকরি কিংবা বিদেশে কর্মসংস্থান বিকল্প হিসেবে কর্মমুখী শিক্ষা, আত্মকর্মসংস্থান এবং স্বাবলম্বীতাই হতে পারে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণের চাবিকাঠি। এরই ধারাবাহিকতায় মির্জাপুর উপজেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে টেকাব-২য় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪০ জন তরুণ-তরুণীরা এ প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।
সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, অফিস কিংবা কর্মশালা নয়, একটি ঝকঝকে এসি বাসে চলবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ। উপজেলা পরিষদ চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বাসে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীরা নিজেদের জীবনের গতি বাড়ানোর নতুন দিক খুঁজে পাবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলায় ২ মাসব্যাপী ‘কম্পিউটার এন্ড নেটওয়ার্কিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খানম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, উপজেলা মৎস কর্মকর্তা ছারহা নাহিন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক আলমগীর, প্রশিক্ষণার্থী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
উপজলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত এই বাসটি মূলত ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এখানে ২ মাসব্যাপী ৪টি শিফটে মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী কম্পিউটার শেখার সুযোগ পাচ্ছেন।’
জানা গেছে, ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডারপ্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অব বাংলাদেশ (টেকাব)’ প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের জন্য আশীর্বাদ। বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ পেয়ে তারা নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করে বেকারত্ব দূর করার সুযোগ পাবেন।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম বলেন, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বেকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে ২০ জন মেয়ে ও ২০ জন ছেলেকে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।