1. info@mirzapurpratidin.com : admin :
  2. news@mirzapurpratidin.com : mirzapur mirzapur : mirzapur mirzapur
ভাষা শহীদদের স্মরণ রাখতে মির্জাপুরে ৩১টি শহীদ মিনার নির্মাণ - Mirzapurpratidin.com
শিরোনামঃ
মির্জাপুরে মেয়র পদপ্রার্থী ডা. উজ্জ্বলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও বন্ধুদের ঈদ উপহার প্রদান মির্জাপুরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া মির্জাপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা মির্জাপুরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে মহান শহিদ দিবস পালিত মির্জাপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে সীসা কারখানা বন্ধ, তিন দোকানে জরিমানা মির্জাপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জরিমানা আদায় মির্জাপুরে নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার; পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ মির্জাপুরে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিজয়ী মির্জাপুরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চললেও ভোটার উপস্থিতি কম

ভাষা শহীদদের স্মরণ রাখতে মির্জাপুরে ৩১টি শহীদ মিনার নির্মাণ

  • আপডেট টাইম : Thursday, April 13, 2023
  • 804 বার
Photo 1

স্টাফ রিপোর্টার

ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৩১টি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ও অর্থায়নে এই কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান এই শহীদ মিনারগুলো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।
এছাড়া মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদদের স্মরণে উপজেলা পরিষদ চত্বরে “অর্জন” নামে একটি ও বাশতৈল নয়াপাড়ায় “মুক্তির পথ” নামে আর একটি দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে।
পৌরসভায় শিক্ষার্থী ভর্তির চাহিদার কথা ভেবে উপজেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণও সম্পন্ন করেছেন তিনি। এবছর থেকেই যেখানে পূর্ণোদ্দমে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ৩১ টি শহীদ মিনারের মধ্যে মির্জাপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, মির্জাপুর সরকারি এস কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দেওহাটা আলহাজ¦ জোনাব আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, জামুর্কী এনএসএজি উচ্চ বিদ্যালয়, বানাইল ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, আনাইতারা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, সিয়াম একাডেমি চত্বর, হাট ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কোদালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, অভিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লতিফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, গায়রাবেতিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরতকিচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এডিএম উচ্চ বিদ্যালয়, বহুরিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিবিএ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুইচতারা এম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর, ছাওয়ালী ভাতকুড়া এম কে এবি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তরফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝোপবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বাকিগুলোর কাজ চলমান আছে যা অতিসত্বর সম্পন্ন হবে। এছাড়াও আজগানা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মোরালের কাজ চলমান রয়েছে। আজগানা ও উয়ার্শী ইউনিয়নে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজও চলমান রয়েছে।
মির্জাপুর পৌরসভার পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে মির্জাপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নির্মাণ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। সাংসদ খান আহমেদ শুভ-এর অর্থায়নে নির্মিত এই শহীদ মিনারের সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের হোসেন, বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আরিফুর রহমান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বিদায় বেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের একাজগুলো এখন সর্বমহলে দারুনভাবে প্রশংসিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, এ উপজেলায় যোগদানের পর প্রথমেই আমার মনে হয়েছে এ উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা শহীদদের স্মরণে স্মৃতি সৌধ ও শহীদ মিনার নির্মাণ আবশ্যক। আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজগুলো করার চেষ্টা করেছি। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা পেয়েছি। আর এসব কারণেই মির্জাপুর আমার চাকুরিজীবনে অন্যতম স্মৃতি হয়ে থাকবে চিরকাল।
মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বর্ষীয়ান আওয়ামী রাজনীতিবিদ সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক বলেন, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহান মুক্তিযোদ্ধের আদর্শের একজন নিবেদিত কর্মী। তার দুই বছরের অধিককাল মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও শহীদ মিনার স্থাপন করে উনি এক অন্যন্য নজির স্থাপন করেছেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও আদর্শে বিশ^স্ত মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান তার ব্যক্তিগত ও চাকুরী জীবনের উজ্জল ভবিষ্যৎ এবং তার পরিবারের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।
মির্জাপুর পৌরসভা মেয়র সালমা আক্তার বলেন, আমাদের পৌরসভার ভিতরে আমাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান অনেক সুন্দর একটি মডেল স্কুল উপহার দিয়েছেন। এই স্কুলের মাধ্যমে আমাদের পৌরসভার অনেক বাচ্চারা শিক্ষা পাবে। অপরদিকে তিনি ভাষা শহীদদের স্মরণীয় করে রাখতে ও নতুন প্রজন্মের কাছে শহীদ মিনারের গুরুত্ব তুলে ধরতে মির্জাপুর উপজেলা প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে এবং স্কুলে শহীদ মিনার তৈরি করার যে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তা অত্যন্ত প্রশসংনীয়।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু বলেন, শহীদ মিনার করার মহান উদ্যোগ নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় যেটা নিয়েছেন সেটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের বাঙালি জাতির জন্য মির্জাপুর বাঁশির জন্য এটা গর্ব যে আমরা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার প্রতিটি ইউনিয়নে প্রতিটি স্কুলে সৃষ্টি করতে পেরেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Mirzapurpratidin এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ভিডিও বা ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Site Customized By NewsTech.Com