হারুন অর রশিদ, স্টাফ রিপোর্টার
ঝিমিয়ে পড়া সরকারি স্বাস্থ্যকে সচল করলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরিদুল ইসলাম। তিনি যোগদানের পর থেকেই বদলাতে থাকে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমল্পেক্সের সেবার মান । সাধারণ মানুষ যাতে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা পান তার জন্য তিনি গ্রহণ করেছেন নানা পদক্ষেপ। ১৯৯৬ সালে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে জামৃর্কীতে প্রতিষ্ঠিত ৩১ শয্যা উপজেলা এই হাসপাতালে নিয়ম অনুযায়ী সকল সেবা দেয়ার কথা থাকলেও কর্মকর্তাদের অবহেলা , নিয়মিত অফিসে না আসা , সরকারি কর্মকর্তাদের শুন্যতার কারণে এই এলাকার মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত ছিল। অস্ত্র পাঁচার কক্ষ থাকলেও সেখানে এই সেবা বন্ধ ছিল কোন কারণ ছাড়াই। ডাঃ ফরিদুল ইসলাম ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর তিনি মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর বন্ধ থাকা অস্ত্র পাঁচার কক্ষ চালুর মাধ্যমে সিঁজারিয়ান অপারেশন সহ ছোট অপারেশন সেবা চালুর জন্য সাধারণ মানুষের প্রশংশা কুঁড়িয়েছেন। বিগত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ এই স্বাস্থ্য কমল্পেক্সে পদায়ন করা হলে যোগদানের পর থেকেই তারা নানা বাহানায় নিয়মিত অফিসে আসতেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ । কিছুদিন পর এসব কর্মকর্তা তাদের সুবিধাজনক জায়গায় পোস্টিং নিয়ে চলে যেতেন। । এইক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ডাঃ ফরিদুল ইসলাম তিনি এখানে পদায়নের পর থেকে নিজ উদ্যোগে সেবার মান বাড়ানোর জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই কাজের জন্য পেয়েছেন স্বীকৃতিও । তার নিরলস কাজের জন্য মির্জাপুর উপজেলা টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। নাম প্রকাশ না করার শতে একজন কর্মচারী জানান তিনি ৫৪ টি কমিউনিটি ক্লিনিকে সঠিক সেবা মানুষ পাচ্ছেন কিনা তা জানার বিনা নোটিশে পরিদর্শনে করেন। কুমাজানি, ডুকলাহাটি কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র বর্ষা মৌসুমে ৪-৫ মাস পানির নিচে ডুবে থাকলেও সেখানে স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ হতে দেননি। পাশের বাড়িতে আগে মতই চলছে সেবাদানের কাজ চালু রেখেছেন। করোনার ভ্যাকসিনমানুষ যাতে ভীতিহীন ভাবে টিকা নিতে পারে সেজন্য তিনি সরকারি প্রচারণার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ব্যক্তিগত আইডি থেকে ছিলেন সরব। প্রায় ৫লাখ মানুয়ের এ উপজেলায় টিকা নিয়েছেন প্রায় ৭৫ভাগ মানুষ। বেসরকারি (প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল) গুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সঠিক সেবার মান বজায়ে রেছেন। যারা সেবা দিতে পারছেনা সেরকম প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তিনি বন্ধ করে দিচ্ছেন। তিনি যোগদানের পর ৫ টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক সিঁলগালা করেছেন। এ ব্যাপারে ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম বলেন . আমি একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে সরকারি সিমিত সামর্থ অনুযায়ী সর্বোচ্ছ সেবা দেয়ার চেস্টা করছি। ভবিষ্যতেও আমার এ ধরনের চেস্টা অব্যাহত থাকবে।