মোঃ সাজজাত হোসেন
টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর শূন্য আসনের উপনির্বাচনে পাঁচ দলের ৫ জনসহ ৭ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দেননি।
আজ বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর। ১৬ জানুয়ারি আসনটিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহন হবে ইভিএম পদ্ধতিতে।
উপনির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ , জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস পাটি , বইরাবরি পাটির প্রার্থী মনোনয়পত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এক জন।
এই আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাত জন। তারা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাসটির সভাপতি এবং এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক খান আহমেদ শুভ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো.জহিরুল ইসলাম জহির,ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব চৌধুরী পাওয়ার, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী, বইরাবরি পার্টির পীর সৈয়দ আলমগীর, স্বতন্ত্র থেকে মো.নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়া ।
আওয়ামীলীগের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, মো.তানভীর হাসান এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মো.জামিলুর রহমান মিরন, মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. শহীদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকার হিতেশ চন্দ্র পুলক, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত।
উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের ৪ বারের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি মারা যাওয়ার পর আসনটি শূন্য হয়। ৩০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.