ভোর
ভোরবেলা কিচিমিচি
পাখি ডেকে উঠল
প্রজাপতি ডানা মেলে
কোথা যেন ছুটল।
গাছে গাছে শাখে শাখে
ফুলকলি ফুটল
মৌমাছি গুনগুন
ফুলে ফুলে জুটল।
মৃদু মৃদু বাতাসেতে
মিঠে ঘ্রাণ ভাসল
মাঠে-ঘাসে ঝিলমিল
সোনারোদ হাসল।
ভোর, ওরে ভোর
কী যে রূপ তোর!
ফড়িং হব
আমরা সবাই সারাবেলা
ব্যস্ত থাকি পাঠে
আয়রে খোকা আয়রে খুকি
যাই বিকেলে মাঠে।
মাঠে গেলে বকবে না কেউ
করবে না কেউ মানা
খেলব অনেক মজার খেলা
মেলব মনের ডানা।
খুব খুশিতে ফড়িং হব
সবুজ মাঠের বুকে
যেমন খুশি তেমন খেলা
খেলব মনের সুখে।
বোয়ালমাছের দুষ্টু ছেলে
বোয়ালমাছের দুষ্টু ছেলে
দিন কাটে তার হেসেখেলে
জানে দারুণ সাঁতার,
মাকে বলে, এক সাঁতারে
যাব আমি কাতার।
যাসনে খোকা, পথ হারাবি
তখন কোথায় থাকবি-খাবি?
এসব বলে মা তার ।
ছেলে বলে, যাবই যাব
কেন যে মা এত্তো ভাবো
খারাপ করো মাথা,
মা বলে, শোন পাগলা পাজি
বলিস না আর যা-তা।
মনটা রাখিস ঠা-া
ভেজে দেবো রোজ সকালে
পাবদা-পুঁটির আন্ডা।
টুম্পারানি
এত্তোটুকুন টুম্পারানি
মাকে বলে, ঘুম আসে না
গল্প শোনাও ঘুমপাড়ানি।
গল্প শোনার শেষে
একনিমিষে টুম্পারানি
ঘুমপরিদের দেশে।
পুতুলপরি তুতুলপরি
খুকির আছে পুতুলপরি
নাম রেখেছে তুতুলপরি
জরির জামা গায়,
ঝুমুর ঝুমুর নূপুর বাজে
তুতুলপরির পায়।
সেই পরিটি কথা বলে
হেসে হেসে হেঁটে চলে
দেখতে অপরূপ,
চার্জ ফুরোলে তুতুলপরি
একনিমিষেই চুপ।
পাখিবন্ধু
সকাল বিকাল ছোটাছুটি পাখপাখালির পিছু
না পেলে রোজ পাখির দেখা ভাল্লাগেনা কিছু।
কোন গাছেতে দোয়েল নাচে, শিস কাটে হররোজ
ধানশালিকের কোথায় বাসা, নিত্য করি খোঁজ।
পাখির বাসা দেই পাহারা, বাসায় অবুঝ ছানা
দস্যি ঈগল হঠাৎ যদি দেয় বাসাতে হানা!
যখন ছানার ফুটবে দুচোখ, উড়বে ডানা মেলে
ইচ্ছেমতো হাওয়ায় হাওয়ায় ঝাপটা খেলে খেলে।
তখন কী যে হবে মজা, দেখব চেয়ে চেয়ে
এ বন ও বন ঘুরবে ওরা আনন্দে গান গেয়ে।
যেদিন ওরা বসবে এসে বাড়ির ডালিমগাছে
সেদিন আমি মনের কথা বলব ওদের কাছে।
আর কিছু না, বলব শুধু বন্ধু হতে চাই
পাখিবন্ধু , তোদের গানে অনেক মজা পাই।
Leave a Reply