ডুমুরের পাতা মুড়ে
গড়ে নিয়ে বাসা
টুনি ওতে ডিম দিলো
গোলগাল খাসা!
টোনা নাচে টুনি নাচে
তেরো দিন যায়
ডিম ফুটে ছানাগুলো
চোখ মেলে চায়।
ছোটো খুকি দেখে হাসে
খিলখিল সুরে
ভয় পেয়ে ছানাগুলো
উড়ে গেল দূরে।
ভাইটি আমার ঘুমের দেশে
ডাক দিয়ো না কেউ
ভাইয়ের মুখে চাঁদের হাসি
আশার আলোর ঢেউ।
ঘুমের শেষে জাগবে হেসে
ফুটবে গোলাপকলি
মনের সুখে হাসব আমি
নাচবে ফুলের অলি।
হুলো নাচে তিড়িংবিড়িং
সাথে নাচে টিয়ে
ঘরের পিছে খুকুমণির
পুতুলসোনার বিয়ে।
নাচে পাখি লেজ উঁচিয়ে
কিচিরমিচির সুরে
দোয়েলপাখি বাজায় বাঁশি
মনটা কী ফুরফুরে!
বরের খাবার শাহীপোলাও
সুপারি ফুল দিয়ে
শিমের ফুলে মালা গাঁথে
টুনটুনিটার ঝিয়ে!
ফুলের কলি ছোটো খোকা
খোকাবাবু নয় তো বোকা
পড়তে খোকার ভালো লাগে
ইশকুলে যায় আগেভাগে।
অ আ ক খ চ ছ পড়ে
কাঠি গুনে গণিত করে
খাতার পাতায় ছবি আঁকে
তার ছবিতে ভাবনা থাকে।
পাখির মতো সুর করে গায়
হাসলে মুখে ফুল ঝরে যায়!
চাঁদের মতো এই খোকাকে
খোকনসোনা কে না ডাকে?
অপুর হুলো রাগ করেছে
দুধমাখা ভাত খায় না
আম্মু দিলেন ধমক দুটো
ভয় কেন তা পায় না!
খামছে ধরা অপুর জামা
ছাড়ানো তো যায় না
পাঠশালাতে যাবে হুলো
ধরেছে এই বায়না।
পাঠশালাতে গিয়ে নাকি
পড়ালেখা শিখবে
মস্তবড়ো লেখক হবে
ছড়াটরা লিখবে।
Leave a Reply