মোঃ সাজজাত হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বরাটি নরদানা বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উৎসবের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পুরোনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে কেউ কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত। একে অন্যকে বুকে জড়িয়ে ধরছেন কেউ। কেউ খুলছেন গল্পের ঝাঁপি। যেন ফিরে গেছেন পুরোনো দিনে। বন্ধুদের এমন আবেগ, উচ্ছ্বাস বুঝিয়ে দিল বাঁধন আলগা হয়নি মোটেও, আছে প্রাণে প্রাণে।
ঢাকা থেকে আসা এই উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সহকারি অধ্যাপক স্বপ্না চৌধুরী বলেন, পুরোনো বন্ধুদের কাছে পেয়ে বেশ ভালো লাগছে। এমন আয়োজন যেন আমাকে আরও বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখার প্রেরণা জোগাল।
উৎসবে অংশ নিতে সকালে অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন নিবন্ধনকারীরা। বেলা সাড়ে ৮টার দিকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। বেলা তিনটার দিকে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ও ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন এবং ১৯৯২ ব্যাচের মরহুম শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের সভাপতি বিপ্লব মাহমুদ উজ্জল, সংবাদকর্মী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মোবারক হোসেন সিদ্দিকী ও প্রধান শিক্ষক মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, এ আয়োজন ঘিরে যে প্রাণের স্পন্দন তৈরি হয়েছে, সেটি যেন আমাদেরকেও স্পর্শ করছে। এমন আয়োজন মির্জাপুর বরাটি নরদানা বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯২ সালের এসএসসির ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। এ বন্ধন যেন ভবিষ্যতেও অটুট থাকে।
সরেজমিন দেখা যায়, স্কুলের মাঠের পশ্চিম দিকে টানানো হয়েছে শামিয়ানা। বসানো হয়েছে বিশাল মঞ্চ। আলোকসজ্জায় সেজেছে পুরো উৎসবস্থল।
উৎসবের দিন আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এড. মো. মজিবুর রহমান , সঞ্চালনায় করেন সহকারি প্রধান শিক্ষক মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল। রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে আলোচনা, স্মৃতিচারণাসহ নানা অনুষ্ঠান। সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।