বৈশ্বিক মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাস
(কোভিড-১৯) রোগের কারনে সারাবিশ্বের ন্যায় আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশও আজ বিপর্যস্ত। দিন দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা, বাদ যায়নি আমাদের সবার প্রিয় মির্জাপুর উপজেলাও।মির্জাপুরেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্নধার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাকসুদা খানম এর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দিক নির্দেশনায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মির্জাপুরের স্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু দুঃখের বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে যে সন্দেহজনক কোভিড-১৯ এর নমুনা দেওয়ার পর রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃক নির্দেশনা মেনে চলছেন না। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট(ল্যাব) মোঃজুয়েল হোসেন বলেন, নমুনা সংগ্রহ করার পর আমরা সাধারনত রোগীদেরকে বলে থাকি যে, রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত আপনারা কোয়ারান্টাইনে বা পরিবারের অন্য সবার থেকে পৃথক থাকুন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই রোগী গন আমাদের নির্দেশনা মানছেন না এবং স্বাধীন ভাবে যার যার কাজ কর্ম নিয়ে ব্যাস্ত থাকছেন। যেমন ০৫ জুন তারিখে গোড়াই এলাকার এক পজিটিভ রোগীকে তার কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার কথা ফোনে জানানো হলে সে আমাদেরকে জানায়, সে না কি আমাদের কাছে নমুনা দেওয়ার পর টাংগাইল সদরের এক বেসরকারি ক্লিনিকে ডাক্তার দেখিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন তার টাইফয়েড জ্বর হয়েছে।সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগের যারা নমুনা দিবেন তাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ রইল নমুনা দেওয়ার পর রেজাল্ট আসার আগ পর্যন্ত যে কয়দিন সময়ই লাগুক না কেন আপনারা কোয়ারান্টাইন বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে নিজেকে পৃথক রাখুন। নিজে বাঁচুন, পরিবারকে বাঁচান এবং সর্বোপরি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে বাঁচান।আমরা যদি এখনই সচেতন না হই তাহলে আমাদের জন্য ভয়াবহ পরিনতি অপেক্ষা করছে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন আমাদের সকলকে মাফ করুন। আমিন।
লেখকঃ মোঃ রায়হান সরকার রবিন, সম্পাদক ও প্রকাশক, মির্জাপুর প্রতিদিন।
Leave a Reply