স্টাফ রিপোর্টার :
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাকসুদা খানম এর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় সারাদেশের ন্যায় মির্জাপুরেও বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে মির্জাপুরের স্বাস্থ্য বিভাগ।মির্জাপুর উপজেলার প্রত্যেক সন্দেহজনক রোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করতেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তিন কোভিড-১৯ যোদ্ধা মোঃ জুয়েল হোসেন(মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব),আব্দুস ছামাদ মিয়া (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব)এবং মোঃ এজাজুল হক হাসান (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ইপিআই)। পরে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার আইডিসিআর ল্যাব এ পাঠানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব মোঃ জুয়েল হোসেন বলেন, আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি,কারন মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার জন্মই হয়নি।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনিকে পরাজিত করে পরাধীনতার শিকল ছিড়ে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য্য ছিনিয়ে এনেছিল এ জাতিরই সূর্যসন্তানেরা।আমি দেখতেছি করোনা নামক ভয়ংকর এক ভাইরাস এর তান্ডবে আমার প্রিয় মাতৃভুমির অবস্থা খারাপ হতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে, ইনশাআল্লাহ করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধেও আমরা জিতব শুধু সময়ের ব্যাপার,আমি এই ভেবে গর্বিত যে করোনা(Covid19)এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমি প্রথম সারির একজন যোদ্ধা।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাকসুদা খানম বলেন, যারা জীবনের ঝুকি নিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছেন তারা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। তারা তাদের পরিবারের কথা চিন্তা না করে দেশ ও দেশের মানুষের সেবার কথা চিন্তা করছেন।তাদের সবচেয়ে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুকির মধ্যে দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পযন্ত ১১ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে যার মধ্যে ১ জনের মধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছে।তাকে কুয়েত মৈত্রি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
Leave a Reply