মো. জোবায়ের হোসেন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্বামী কর্তৃক এসএসসি পরিক্ষার্থী স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া একই ব্যক্তির হামলার আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই এসএসসি পরিক্ষার্থীর বোন ও মা। এ ঘটনার হোতা সাইফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১২ই নভেম্বর) ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপাড়া এলাকায় এই লোহমর্ষক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন, উপজেলার সোহাগপাড়া এলাকার এসএসসি পরিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার, তার বোন খাদিজা আক্তার সুমি ও মা নাছিমা আক্তার। তাদের তিনজনের হাত, মাথা ও গলায় অন্তত ১৫-২০ টি বটির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে জানা গেছে। তবে কী কারণে এই ঘটনার সূত্রপাত সে বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কিছু বলতে পারেনি হামলার শিকার হওয়াদের কেউ।
প্রতিবেশী রবিন মিয়া বলেন, ভোর বেলা চিৎকার চেচামেচির শব্দ শুনে সুমাইয়াদের বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি সুমাইয়া, সুমি ও তাদের মা নাছিমা আক্তার রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে আসি। ঘটনাস্থল থেকে সাইফুলকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়।
হামলার শিকার আহত এসএসসি পরিক্ষার্থী সুমাইয়ার নানী জয়নব বলেন, রাতে সাইফুল ও সুমাইয়া এক ঘরে ছিল। আমি, সিমু ও সিমুর মা (নাছিমা) আরেক ঘরে ছিলাম। ভোর বেলা সুমাইয়ার ডাক চিৎকারে প্রথমে নাছিমা ও পরে সিমু এগিয়ে গেলে সাইফুল ওদের দুইজনকে বটি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপায়। সুমাইয়ার গোপন অঙ্গে সাইফুল প্রথমে নির্যাতন করে। এরপর বটি দিয়ে সুমাইয়ার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে অনেকগুলো আঘাত করেছে বলে জানতে পারি। গত রোববার থেকে সাইফুল তাদের বাড়িতে ছিল বলে তিনি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬-৭ মাস পূর্বে উপজেলার বাশতৈল ইউনিয়নের আমরাতৈল গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সাউথ আফ্রিকা ফেরত সাইফুল ইসলামের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সুমাইয়ার। বিয়ের পর সুমাইয়া ৩ মাসের মতো সেখানে ছিল। এরপর এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য গত ৩ মাস যাবৎ নিজেদের বাড়ি সোহাগপাড়াতে ছিল। মাঝে মাঝে সাইফুল সুমাইয়াদের বাড়িতে আসতো। তবে দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর সাউথ আফ্রিকা থেকে উপার্জিত অর্থের হিসাব নিয়ে সাইফুলের বাবার সাথে সাইফুলের সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিলনা বলে জানা গেছে। এমনকি বিয়ের পর থেকে সাইফুল তার স্ত্রী ভরণ-পোষণ করতেও ব্যর্থ হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক আইয়ুব খান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমরা সাইফুল ইসলামকে আটক করেছি। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনো অস্পষ্ট।
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.
Thank you for your sharing. I am worried that I lack creative ideas. It is your article that makes me full of hope. Thank you. But, I have a question, can you help me?