দীপক বিশ্বাস রাজীবঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল (বিডি) লি. এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কুমুদিনী হাসপাতালের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সংক্রমন দুর্যোগের মুহুর্তে কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দৌড় গোড়ায় বিনামুল্যে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে কুমুদিনী কমপ্লেক্সের কুমুদিনী হাসপাতালের লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এম এ হালিম। সংবাদ সম্মেলনে মির্জাপুর প্রেস ক্লাব, মির্জাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি ও জাতীয় সংবাদিক সংস্থার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এম এ হালিম বলেন, টাংগাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত কুমুদিনী হাসপাতাল কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটির মহান প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা। এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে ১৯৩৮ সালে এবং বর্তমানে ১০৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি প্রধানত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই রোগীদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া এবং চিকিৎসার সুব্যবস্থা রয়েছে।
ব্রিটিশ এবং পাকিস্তান আমল থেকেই এটি বাংলাদেশের একটি আধুনিক হাসপাতাল হিসেবে বহুল পরিচিত। ১৯৯৪ সাল থেকে রোগীদের অংশ গ্রহণমূলক কার্যক্রম (পিপিপি) শুরু হলে রোগীরা অল্প অর্থ ব্যয়ে এখন পর্যন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ এবং সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে থাকা ও খাওয়া পেয়ে আসছে।এ হাসপাতালটি রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ সেবার পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক পরিক্ষা-নিরীক্ষার সুব্যবস্থা।প্রতিষ্ঠাতার ইচ্ছে অনুযায়ী হাসপাতালটি এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে। এ ছাড়া এখানে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার আওতায় ধাত্রী বিদ্যা, পরিবার-পরিকল্পনা, ফিস্টুলা এবং স্বাস্থ্য বিধান সম্পর্কিত সেবা প্রদান করে থাকে।
প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা পেয়ে থাকে ১৫০০ থেকে ২০০০ রোগী এবং হাসপাতালে ভর্তি থেকে সেবা পেয়ে থাকে ৭০০/৮০০ রোগী। দুর্ভাগ্যবশত বিশ্ব ব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের ফলে সাধারণ রোগীদের- যাদের চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন তারা সংক্রমনের ভয়ে হাসপাতালে আসতে ভয় পাচ্ছেন। উপরন্তু লকডাউনের ফলে যানবাহনের অভাবেও রোগীদের আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া যারা সংকটাপন্ন রোগী যেমন গর্ভবতী মা এবং যাদের নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন তারাও আসতে সক্ষম হচ্ছেন না।
কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসক এবং সেবিকাবৃন্দ আছেন যারা আমাদের মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং স্কুল এন্ড কলেজ থেকে স্নাতক করেছেন। যারা বছরের পর বছর নিজেদের গড়ে তুলেছেন কুমুদিনী ভাবাদর্শে-তারা সকলেই দরিদ্র এবং দঃখী মানুষের সেবায় নিবেদিত। এই সংকট কালে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্য কুমুদিনী হাসপাতাল বিশেষ ভাবে উদ্যোগী। এ অবস্থায় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যতদূর সম্ভব রোগীদের সেবা দিতে। এরই অংশ হিসেবে যে সব মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন তাদের চিকিৎসা সেবার নিমিত্তে¡ ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে মেডিকেল টিম গঠন করেছে যারা মির্জাপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে রুটিন করে রোগীদের দোর গোড়ায় বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা পৌছে দেবে।
এই সংকট কালে জনগনের জন্য সরকার কর্তৃক গৃহীত চিকিৎসা সেবা প্রদানের অংশ হিসেবে এটি আমাদের একটি বিনীত প্রচেষ্টা। এই সেবা প্রদান কালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক কোভিট-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য বিধি পুরোপুরি ভাবে মেনে আমরা সেবা প্রদান করবো।
পরিশেষে আমরা সবাইকে জানাতে চাই কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর ৮৭ বছরের পুরানো ঐতিহ্যকে ধারণ করে দরিদ্র এবং দুঃস্থ মানবতার সেবা নিশ্চিত করণে সদা প্রস্তুুত।
এ সময় কুমুদিনী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এবিএম আলী হাসান, এজিএম (অপারেশন) অনিমেশ কুমার ভৌমিক লিটন ও কুমুদিনী নার্সিং স্কুল এন্ড বিএসসি নার্সিং কলেজের মেট্রন সিস্টার দীপালী পেরেরা উপস্থিত ছিলেন।
Hussain NHN, Noor NM, Ismail SB, et al priligy cost Sullivan KM, Kozuch PS
Online FAQ Self Help can i purchase cytotec price 10 90 intervals, 5 in each tail